একুশে পদক বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক প্রদান করা হচ্ছে। 

২০২০ সালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে দেশের ২০ জন ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠানকে "একুশে পদক ২০২০" প্রদান করা হয়।

নাম ক্ষেত্র

১. আমিনুল ইসলাম বাদশা (মরণোত্তর) ভাষা আন্দোলন

২. ডালিয়া নওশিন শিল্পকলায় (সংগীত)

৩. শঙ্কর রায় শিল্পকলায় (সংগীত)

৪. মিতা হক শিল্পকলায় (সংগীত)

৫. গোলাম মোস্তফা খান শিল্পকলায় (নৃত্য)

৬. এস এম মহসীন শিল্পকলায় (অভিনয়)

৭. ফরিদা জামান শিল্পকলায় (চারুকলা)

৮. হাজী আক্তার সরদার (মরণোত্তর) মুক্তিযুদ্ধ

৯. আবদুল জব্বার (মরণোত্তর) মুক্তিযুদ্ধ

১০. আ আ ম মেসবাহুল হক মুক্তিযুদ্ধ

১১. জাফর ওয়াজেদ সাংবাদিকতা

১২. জাহাঙ্গীর আলম খান গবেষণা

১৩. সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ গবেষণা

১৪. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া শিক্ষা

১৫. শামসুল আলম অর্থনীতি

১৬. সুফি মিজানুর রহমান সমাজসেবা

১৭. নুরুন নবী ভাষা ও সাহিত্যে

১৮. সিকদার আমিনুল হক (মরণোত্তর) ভাষা ও সাহিত্যে

১৯. নাজমুন নেসা পিয়ারি ভাষা ও সাহিত্যে

২০. সায়েবা আখতার চিকিৎসা

২১. বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণা

 

২০১৫ সালে পদকপ্রাপ্তরা হলেন-

  •  ভাষা আন্দোলনে -- প্রয়াত পিয়ারু সর্দার (মরণোত্তর),

  •  মুক্তিযুদ্ধে --  অধ্যাপক মো. মজিবর রহমান দেবদাস,
  •  ভাষা ও সাহিত্যে -- অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মা ও মুহম্মদ নুরুল হুদা, 

  • শিল্পকলায় -- প্রয়াত আব্দুর রহমান বয়াতি (মরণোত্তর), এস এ আবুল হায়াত‍‍ এবং এ টি এম শামসুজ্জামান,
  •  শিক্ষায়  -- অধ্যাপক ডা. এম এ মান্নান ও সনৎ কুমার সাহা,

  • গবেষণায় -- আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া,

  • সাংবাদিকতায় -- কামাল লোহানী,
  • গণমাধ্যম শাখায়--  ফরিদুর রেজা সাগর,

  • সমাজসেবায়  -- ঝর্না ধারা চৌধুরী, শ্রীমৎ সত্যপ্রিয় মহাথের ও অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী।

 সম্মাননাস্বরূপ প্রত্যেককে নগদ এক লাখ টাকা, ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।